আমদানি বাড়লেও সাতক্ষীরার বাজারে কমেনি জিরার দাম

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে জিরা আমদানি বেড়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় মসলাপণ্যটির আমদানি বেড়েছে ৭০০ টনেরও বেশি। তবে আমদানি বাড়লেও স্থানীয় বাজারে কমেনি এর বাজারদর।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি এ বন্দর দিয়ে মোট ২ হাজার ২৮৮ টন জিরা আমদানি হয়েছে। আমদানীকৃত এ পণ্যের মূল্য ৯৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ৬৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা মূল্যের ১ হাজার ৫৫৯ টন জিরা আমদানি হয়েছিল। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ভোমরা বন্দর দিয়ে জিরার আমদানি বেড়েছে ৭২৯ টন।

দেশী বাজারে চাহিদা বাড়ায় সম্প্রতি বন্দরে পণ্যটির আমদানি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা। ভোমরা বন্দরের অন্যতম মসলা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক জানান, বাজারে জিরার ব্যাপক চাহিদা থাকায় তাদের প্রতিষ্ঠানেও আমদানির পরিমাণ আগের চেয়ে বেড়েছে।

তবে আমদানির এ ঊর্ধ্বমুখী চিত্রের প্রতিফলন নেই খুচরা বাজারে। সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড়বাজারের মসলা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফতেমা স্টোরে গিয়ে গতকাল দেখা যায়, আমদানীকৃত ভারতীয় জিরা খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি ইরানি জিরার দাম কেজিপ্রতি ৮০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, এক মাস আগেও পণ্যটি একই দামে বিক্রি হচ্ছিল।

সুলতানপুর বড় বাজা‌রের মেসার্স ফতেমা স্টোরের স্বত্বাধিকারী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বন্দরে আমদানি বাড়ার খবর থাকলেও পাইকারি বাজারে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। ফলে বাজার বর্তমানে আগের দামেই স্থিতিশীল রয়েছে।’

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বন্দরে আমদানি বাড়ার পরও বাজারে জিরার দাম কেন কমছে না, বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছি।’

আরও